ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী
ফিরতি পথ: খুলনা থেকে ঢাকা — একই পাতায় নিচে
দক্ষিণ-পশ্চিমের বিভাগীয় শহর খুলনায় ঢাকা থেকে এখন দুই ধরনের পথে ট্রেনে যাওয়া যায়। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ চালুর পর জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ভাঙ্গা, কাশিয়ানী ও নড়াইল হয়ে পৌনে চার ঘণ্টায় খুলনা পৌঁছায় — এই রুটে এটিই সবচেয়ে দ্রুত। সুন্দরবন এক্সপ্রেসও পদ্মা সেতু পার হয়, তবে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও যশোর ঘুরে যায় বলে সময় বেশি লাগে।
অন্যদিকে চিত্রা এক্সপ্রেস চলে পুরোনো পথে — টাঙ্গাইল, যমুনা নদী ও ঈশ্বরদী হয়ে। এতে নয় ঘণ্টার বেশি লাগলেও পথের অনেক জেলার যাত্রীর জন্য ট্রেনটি কাজের। এ ছাড়া নকশিকাঁথা কমিউটারও দুই শহরের মধ্যে চলে। চিত্রা রবিবার, জাহানাবাদ সোমবার এবং সুন্দরবন ঢাকা থেকে বুধবার ও খুলনা থেকে মঙ্গলবার বন্ধ থাকে।
এক নজরে
- ঢাকা → খুলনা: ৪টি ট্রেন
- খুলনা → ঢাকা: ৪টি ট্রেন
- সবচেয়ে দ্রুত: জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট)
ঢাকা থেকে খুলনা পরবর্তী ট্রেন
- বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী হিসাব করা হচ্ছে…
বাংলাদেশ সময় ও সাপ্তাহিক বন্ধ মিলিয়ে, সময়সূচী অনুযায়ী হিসাব।
ঢাকা → খুলনা
| ট্রেন | ঢাকা ছাড়ে | খুলনা পৌঁছায় | সময় লাগে | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬)আন্তঃনগর | ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট | বুধবারআজ বন্ধ | ||
| নকশিকাঁথা কমিউটার (২৬)কমিউটার | ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট | নেইআজ বন্ধ | ||
| চিত্রা এক্সপ্রেস (৭৬৪)আন্তঃনগর | (পরদিন) | ৯ ঘণ্টা ১০ মিনিট | রবিবারআজ বন্ধ | |
| জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৬)আন্তঃনগর | ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট | সোমবারআজ বন্ধ |
খুলনা → ঢাকা
| ট্রেন | খুলনা ছাড়ে | ঢাকা পৌঁছায় | সময় লাগে | সাপ্তাহিক বন্ধ |
|---|---|---|---|---|
| জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৫)আন্তঃনগর | ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট | সোমবারআজ বন্ধ | ||
| চিত্রা এক্সপ্রেস (৭৬৩)আন্তঃনগর | ৯ ঘণ্টা ৫ মিনিট | রবিবারআজ বন্ধ | ||
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৫)আন্তঃনগর | (পরদিন) | ৭ ঘণ্টা ২৫ মিনিট | মঙ্গলবারআজ বন্ধ | |
| নকশিকাঁথা কমিউটার (২৫)কমিউটার | (পরদিন) | ১০ ঘণ্টা ১০ মিনিট | নেইআজ বন্ধ |
সময় ১২ ঘণ্টার হিসাবে দেখানো হয়েছে; সময়ের ওপর মাউস রাখলে বা চাপ দিলে রেলওয়ের ২৪ ঘণ্টার সময় দেখা যায়। “আজ বন্ধ” চিহ্ন বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজকের বার দেখে বসানো হয়।
ভাড়া
উৎস নথিতে ভাড়ার তালিকা নেই, তাই এখানে কোনো অঙ্ক দেখানো হচ্ছে না। আসনের শ্রেণি (যেমন শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট বা এসি বার্থ) এবং দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া আলাদা হয়। সঠিক ভাড়া জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট সাইটে যাত্রার তারিখ ও স্টেশন দিয়ে খুঁজুন। আসনের শ্রেণিগুলোর পার্থক্য জানতে দেখুন অনলাইনে টিকিট কাটার গাইড।
যাত্রার আগে কিছু পরামর্শ
- খুলনা থেকে ঢাকায় দিনের কাজ সেরে একই দিনে ফিরতে জাহানাবাদ এক্সপ্রেসের সময় সুবিধাজনক: ভোরে খুলনা ছেড়ে সকালে ঢাকা, আর রাতে ঢাকা ছেড়ে মধ্যরাতের আগেই খুলনা।
- যশোর, চুয়াডাঙ্গা বা কুষ্টিয়ার যাত্রীদের জন্য সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস ভালো বিকল্প, কারণ এগুলো ওই স্টেশনগুলোতে থামে।
- চিত্রা এক্সপ্রেস সন্ধ্যায় ঢাকা ছেড়ে ভোরে খুলনা পৌঁছায়, তাই রাতের যাত্রায় হোটেল-খরচ বাঁচাতে চাইলে এটি দেখতে পারেন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ঢাকা থেকে খুলনা কয়টি ট্রেন চলে?
এই সময়সূচী অনুযায়ী ঢাকা থেকে খুলনা সরাসরি ৪টি ট্রেন চলে: সুন্দরবন এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা কমিউটার, চিত্রা এক্সপ্রেস, জাহানাবাদ এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে খুলনা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
ট্রেনভেদে ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট থেকে ৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। সবচেয়ে দ্রুত ট্রেন: জাহানাবাদ এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে খুলনা প্রথম ও শেষ ট্রেন কখন ছাড়ে?
প্রথম ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টায়, আর দিনের শেষ ট্রেন জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৮টায়।
ঢাকা থেকে খুলনা রুটের কোন ট্রেন কোন দিন বন্ধ?
সুন্দরবন এক্সপ্রেস বুধবার; চিত্রা এক্সপ্রেস রবিবার; জাহানাবাদ এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে। নকশিকাঁথা কমিউটার প্রতিদিন চলে।
খুলনা থেকে ঢাকা কয়টি ট্রেন চলে?
এই সময়সূচী অনুযায়ী খুলনা থেকে ঢাকা সরাসরি ৪টি ট্রেন চলে: জাহানাবাদ এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা কমিউটার।
খুলনা থেকে ঢাকা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
ট্রেনভেদে ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট থেকে ১০ ঘণ্টা ১০ মিনিট। সবচেয়ে দ্রুত ট্রেন: জাহানাবাদ এক্সপ্রেস।
খুলনা থেকে ঢাকা প্রথম ও শেষ ট্রেন কখন ছাড়ে?
প্রথম ট্রেন জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৬টায়, আর দিনের শেষ ট্রেন নকশিকাঁথা কমিউটার ছাড়ে রাত ১১টায়।
খুলনা থেকে ঢাকা রুটের কোন ট্রেন কোন দিন বন্ধ?
জাহানাবাদ এক্সপ্রেস সোমবার; চিত্রা এক্সপ্রেস রবিবার; সুন্দরবন এক্সপ্রেস মঙ্গলবার বন্ধ থাকে। নকশিকাঁথা কমিউটার প্রতিদিন চলে।
পদ্মা সেতু দিয়ে খুলনার কোন কোন ট্রেন চলে?
উৎস নথি অনুযায়ী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস (৮২৫/৮২৬) ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৫/৭২৬) দুটিই ভাঙ্গা জংশন হয়ে চলে। জাহানাবাদ নড়াইলের পথে সরাসরি খুলনা যায়, আর সুন্দরবন ফরিদপুর-রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া-যশোর ঘুরে যায়।